ads

কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, পুলিশের গুলিতে আবু সাঈদ শহীদ হয়েছে। এ মামলার মূল আসামিরা এখনও পলাতক রয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর ঢাকা বসে তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করেছেন। আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডে জড়িত পুলিশ বহাল তবিয়তে রয়েছে। আর সাজা পাচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্তরা। আমরা চাই এ মামলায় যার যতটুকু অপরাধ, তাকে ততটুকু সাজা দেওয়া হোক। কেউ যেন লঘু অপরাধে গুরুদণ্ড না পায়।

তারা আরও বলেন, সাবেক প্রক্টরকে আবু সাঈদ হত্যা মামলার ইন্ধনদাতা ও পরিকল্পনাকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। গ্রেফতার হওয়া ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী আকাশকে বেরোবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে। এ থেকে বোঝা যায়, এ মামলার সুষ্ঠু তদন্ত হয়নি। ট্রাইব্যুনাল তড়িঘড়ি করে বিশ্বকে দেখাতে চাচ্ছে তারা আবু সাঈদ হত্যার বিচার করছে।

আন্দোলনকারীরা দ্রুত আবু সাঈদ হত্যা মামলার গণশুনানির দাবি জানান। এ সময় বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কানিজ ফাতেমা, খাদিজা আক্তার, নুরুন্নবী আফরিন প্রমুখ।

আরও খবর