সেই ফারিয়াসহ তিনজন কারাগারে, ‘সমন্বয়ক’ পরিচয়ে চাঁদাবাজি
জুলাই আন্দোলনের মামলা থেকে অব্যাহতির ব্যবস্থা করে দেওয়ার কথা বলে চাঁদাবাজির অভিযোগে উত্তরা পশ্চিম থানার মামলায় তিন সমন্বয়ককে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আসামিরা হলেন- ফারিয়া আক্তার তমা, এ এইচ এম নোমান রেজা ও তানজিল হোসেন।মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টরের একটি বাসায় ঢুকে আসামিরা নিজেদের সমন্বয়ক পরিচয় দেন। দেলোয়ার হোসেন নামে একজনকে মামলা থেকে অব্যাহতি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন তারা। তাদের সাড়ে ৫ লাখ টাকা জোগাড় করে দেয় পরিবারটি। শুক্রবার বিকেল ৪টার মধ্যে বাকি সাড়ে চার লাখ টাকা দিতে বলেন আসামিরা, অন্যথায় ক্ষতি করার হুমকি দিয়ে চলে যান। এরপর ওই রাতেই পরিবারের পক্ষ থেকে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করা হয়। মামলা দায়েরের পর বৃহস্পতিবার রাতে নোমান রেজাকে বিমানবন্দর থানার সামনে থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যানুযায়ী রাতেই তানজিল হোসেন ও ফারিয়া আক্তার তমাকে বিমানবন্দর থানার জসিম উদ্দিন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টরের ৬ নম্বর রোডের একটি বাসায় প্রবেশ করে তিনজন ‘সমন্বয়ক’ পরিচয় দেন। সেখানে ‘মামলা’ থেকে অব্যাহতি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে দেলোয়ার হোসেন নামের একজনের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন তারা। দেলোয়ার তিনজনকে সাড়ে পাঁচ লাখ টাকার ব্যবস্থা করে দেন। এরপর দেলোয়ার হোসেনকে চাপে রাখতে তারা গত শুক্রবার বিকেল ৪টার মধ্যে বাকি টাকা দিতে বলেন। টাকা দিতে তাঁর পরিবারের সদস্যদের নানা হুমকি দিয়ে চলে যান ‘সমন্বয়ক’ পরিচয়দানকারীরা।
পুলিশের ভাষ্য, ওই তিনজন দেলোয়ার হোসেনের পরিবারের সদস্যদের নানাভাবে হুমকি দিচ্ছিলেন। পরে পরিবারটি উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করে। ঘটনার দিন রাতে বিমানবন্দর থেকে প্রথমে নোমান রেজাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উত্তরার জসীমউদ্দীন এলাকা থেকে অন্য দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে চার লাখ ৩০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।






