ads

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়া যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরকে স্মরণীয় করে রাখতে দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের দপ্তর একটি বিশেষ ভিডিও প্রকাশ করেছে, যেখানে পটভূমি সংগীত হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে বাংলাদেশের জনপ্রিয় গান ‘আমার বন্ধু মহাজাদু জানে’।

মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে আনোয়ার ইব্রাহিমের অফিশিয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পেজে ২ মিনিট ৪০ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়। ভিডিওতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত তুলে ধরা হয়েছে।

পোস্টে বলা হয়, দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি ছিল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম সরকারি সফর, যা দুই দেশের দীর্ঘদিনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে পারস্পরিক আস্থা ও অঙ্গীকারের প্রতিফলন। একইসঙ্গে এই সফর মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ বন্ধুত্বকে আরও সুদৃঢ় করেছে এবং জনগণের কল্যাণে কৌশলগত সহযোগিতা বৃদ্ধির পথ প্রশস্ত করেছে।

ভিডিওতে দুই দেশের সরকারপ্রধানের বৈঠক, মধ্যাহ্নভোজ, সাংস্কৃতিক আয়োজনসহ নানা কর্মসূচির দৃশ্য স্থান পেয়েছে। পুরো ভিডিওজুড়ে শোনা যায় সংগীতশিল্পী হাবিব ওয়াহিদ ও মেহরনিগরি রুস্তামের গাওয়া জনপ্রিয় গান ‘মহাজাদু’।

ভিডিওর একটি অংশে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে কথা বলতে দেখা যায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমকে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সংকট সমাধানে উভয় দেশ যৌথভাবে কাজ করবে। পাশাপাশি দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আসিয়ানের মাধ্যমে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানান তিনি।

দক্ষিণ এশিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে বাংলাদেশের প্রশংসা করে আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে দুই দেশের সহযোগিতার এখনও ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সাম্প্রতিক সমঝোতা ও চুক্তিগুলো ভবিষ্যতে মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ সম্পর্ককে আরও গভীর করবে এবং নতুন সহযোগিতার সুযোগ সৃষ্টি করবে।

এদিকে, মালয়েশিয়ায় দুই দিনের সরকারি সফর শেষ করে বর্তমানে চীনে অবস্থান করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে তিনি দালিয়ানে অনুষ্ঠিতব্য ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ১৭তম ‘নিউ চ্যাম্পিয়নস’ বার্ষিক সভায় অংশ নেবেন। পরে রাজধানী বেইজিংয়ে সফরের মূল দ্বিপক্ষীয় কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার।

বাংলাদেশ ও চীনের কূটনৈতিক সম্পর্কের ‘সোনালি ৫০ বছর’-এ প্রবেশের প্রাক্কালে এই সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, সফরটি দুই দেশের ভবিষ্যৎ সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আরও খবর