ছবির উৎস,GETTY IMAGES

ছবির ক্যাপশান,

দিল্লির সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও প্রধানমন্ত্রী পি ভি নরসিমহা রাও (ডানে)। ১৯৯৫

সেই সফরের পরও ভারতীয় নেতৃত্ব ও বিএনপি'র মধ্যে শীতলতা আদৌ কমেনি।

২০১৪ সালের মে মাসে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে বিজেপি ভারতের ক্ষমতায় আসার পরও সে পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন হয়নি। বরং বিএনপি'র মধ্যে এই ধারণাই ক্রমশ বদ্ধমূল হয়েছে যে ভারত বাংলাদেশে শুধু ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গেই সম্পর্ক রেখে চলে।

বিএনপি'র শীর্ষ নেতারা ভারতের এই ‘অবস্থানে’র সমালোচনা করে বহুবার প্রকাশ্যেই কথা বলেছেন।

কিন্তু বাস্তবেও পরিস্থিতিটা কী সত্যিই সে রকম? বাংলাদেশে ভারত যদি সত্যিই শুধু আওয়ামী লীগের সঙ্গেই সম্পর্ক রেখে চলে, তাহলে সেটা কেন?

নাকি পর্দার আড়ালে বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর সঙ্গেও তাদের যোগাযোগ আছে?

 

 

">
ads

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিশেষ আমন্ত্রণে জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রবিবার বিকেলেই বাংলাদেশে ফিরে গেছেন। গত শুক্রবার দিল্লিতে পা রাখার কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদীর ‘ফলপ্রসূ’ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও হয়েছে।

নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে এনিয়ে গত ন’বছরে দিল্লি, ঢাকা বা শান্তিনিকেতনে দু’জনের মধ্যে অন্তত ন’বার মুখোমুখি দেখা হল। এছাড়া ভার্চুয়ালি তাঁদের মধ্যে কতবার বৈঠক হয়েছে, তার কোনও ইয়ত্তা নেই।

লক্ষ্যণীয় হল, এই পুরো সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের যারা প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি (পার্লামেন্টে না-হলেও), সেই বিএনপি'র সঙ্গে ভারতীয় নেতৃত্বর প্রকাশ্যে অন্তত কোনও বৈঠকই হয়নি। না বাংলাদেশে, না ভারতে।

প্রধানমন্ত্রী মোদী তো দূরের কথা, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বা সিনিয়র ক্যাবিনেট মন্ত্রীরাও যখন বাংলাদেশ সফর করেছেন, তাঁরাও কেউ বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া বা ওই দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করেননি।

অথচ এই সময়ের মধ্যে শুধু দু'দেশের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের মধ্যেই নয়, সরকারি বা দলীয় পর্যায়েও বিজেপি ও আওয়ামী লীগের মধ্যে বহুবার পাল্টাপাল্টি সফর, মতবিনিময় ইত্যাদি হয়েছে। কখনো ট্র্যাক ওয়ান, কখনো বা ট্র্যাক-টু পর্যায়ে।

অন্যদিকে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াকে ভারত শেষবার আমন্ত্রণ জানিয়েছিল ২০১২ সালের অক্টোবরে। তখন দিল্লির ক্ষমতায় ছিল মনমোহন সিংয়ের নেতৃত্বে ইউপিএ-টু সরকার, দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন সালমান খুরশিদ।

দিল্লির সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও প্রধানমন্ত্রী পি ভি নরসিমহা রাও (ডানে)। ১৯৯৫

ছবির উৎস,GETTY IMAGES

ছবির ক্যাপশান,

দিল্লির সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও প্রধানমন্ত্রী পি ভি নরসিমহা রাও (ডানে)। ১৯৯৫

সেই সফরের পরও ভারতীয় নেতৃত্ব ও বিএনপি'র মধ্যে শীতলতা আদৌ কমেনি।

২০১৪ সালের মে মাসে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে বিজেপি ভারতের ক্ষমতায় আসার পরও সে পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন হয়নি। বরং বিএনপি'র মধ্যে এই ধারণাই ক্রমশ বদ্ধমূল হয়েছে যে ভারত বাংলাদেশে শুধু ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গেই সম্পর্ক রেখে চলে।

বিএনপি'র শীর্ষ নেতারা ভারতের এই ‘অবস্থানে’র সমালোচনা করে বহুবার প্রকাশ্যেই কথা বলেছেন।

কিন্তু বাস্তবেও পরিস্থিতিটা কী সত্যিই সে রকম? বাংলাদেশে ভারত যদি সত্যিই শুধু আওয়ামী লীগের সঙ্গেই সম্পর্ক রেখে চলে, তাহলে সেটা কেন?

নাকি পর্দার আড়ালে বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর সঙ্গেও তাদের যোগাযোগ আছে?

 

 

আরও খবর