ads

এপ্রিল মাসের এই বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক বেনিফিট ব্যবস্থা সংস্কারের ঘোষণা দেন। ঘোষণা অনুযায়ী ১৩ মে কার্যকর হয়েছে নতুন নিয়ম। নতুন নিয়ম অনুযায়ী ইউনিভারসেল ক্রেডিট পেতে হলে সপ্তাহে অন্ততঃ ১৮ ঘণ্টা কাজ করতে হবে। অন্যথায়, বেনিফিট বন্ধ হয়ে যাবে। আরও বেশী মানুষকে কাজে ফিরিয়ে আনতে বেনিফিট ব্যবস্থায় সংস্কার আনার উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

বেনিফিট পেতে হলে আগের নিয়মে সর্বনিম্ন জাতীয় মজুরী বিবেচনায় নিয়ে সপ্তাহে ১৫ ঘণ্টা কাজ করতে হতো। অথবা সপ্তাহে ১৫ ঘণ্টার চেয়ে কম কাজ করেও মাসে ৬১৭ পাউন্ড এয় করলে শর্ত পূরণ হয়ে যেতো। এখন তিন ঘণ্টা বাড়িয়ে সপ্তাহে ১৮ ঘণ্টা করা হয়েছে। সর্বনিম্ন জাতীয় মজুরী বিবেচনায় নিয়ে সপ্তাহে ১৮ ঘণ্টা কাজ করলে মাসে আয় দেখাতে হবে ৮৯২ পাউন্ড। কেউ যদি সপ্তাহে ১৮ ঘণ্টার চেয়ে কম কাজ করেও মাসে ৮৯২ পাউন্ড আয় করে, তাহলে বেনিফিট পাওয়ার শর্ত পূরণ হয়ে যাবে। কাপলদের জন্য নতুন নিয়মে দুজনের মাসিক আয় দেখাতে হবে ১৪শ ৩৭ পাউন্ড। আগের নিয়ম ছিল ৯৮৮ পাউন্ড।

যারা সপ্তাহে ১৮ ঘণ্টার চেয়ে কম কাজ করছেন কিংবা নির্ধারিত সীমার চেয়ে কম উপার্জন করছেন তাদেরকে জব সেন্টারের এপয়েনটমেনটে গিয়ে জানাতে হবে তাঁরা সক্রিয়ভাবে কর্মঘণ্টা বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। ১২ মাসেও যদি কর্মঘণ্টা বা উপার্জন বৃদ্ধি না পায় তাহলে উনিভারসেল ক্রেডিট একাউনট বন্ধ করে দেয়া হবে।

এদিকে চ্যারিটি সংগঠনগুল উদ্বেগ জানিয়ে বলছে, নতুন নিয়ম কার্যকর হলে যাদের দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতা আছে কিংবা যাদের মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা আছে তাদের সাথে অন্যায় হয়ে যাবে।

প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক বলছেন, কিছু মানুষের বেনিফিটের ওপর নির্ভর করে জীবনধারণ করা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। প্রায় ২ লাখ মানুষকে সহায়তা দিয়ে কাজে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। এর মাধ্যমে সরকারের ৪ বিলিয়ন পাউন্ড পর্যন্ত সাশ্রয় করা সম্ভব। তবে লেবার দল বলছে, সরকারের এই পরিকল্পনা নতুন নয়, বরং ৭ বছর পুরনো। লেবার দল ক্ষমতায় এলে খুঁজে খুঁজে বের করে মানুষকে কাজে পাঠাবে।

আরও খবর